প্রচ্ছদ > খেলা > ফুটবল

ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘নিরপেক্ষতা ভঙ্গের’ অভিযোগ, পাত্তাই দিল না আইওসি

article-img

মানবাধিকার সংস্থা ফেয়ারস্কয়ারের করা এক অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি বা আইওসি। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলা হয়েছিল রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার নিয়ম ভাঙার কারণে। শুক্রবার আইওসির একজন মুখপাত্র এএফপিকে এ কথা জানান।

ফেয়ারস্কয়ারের অভিযোগে বলা হয়, ইনফান্তিনো বারবার আইওসির রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত নিয়ম ভেঙেছেন। তাদের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজনৈতিকভাবে সমর্থন দিয়েছেন তিনি।

আইওসির মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘আইওসির নীতি নৈতিকতা কমিশন ফেয়ারস্কয়ারের অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করেছে। কমিশন লক্ষ্য করেছে, অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী প্রতিটি আন্তর্জাতিক ফেডারেশন নিজের পরিচালনায় স্বাধীন ও স্বতন্ত্র থাকে। তাই এই অভিযোগ আইওসির নীতি নৈতিকতা কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে।’

আইওসির প্রায় একশ সদস্য শপথ নেওয়ার সময় প্রতিশ্রুতি দেন, তারা ‘বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ থেকে স্বাধীনভাবে’ কাজ করবেন। ইনফান্তিনোও এই সদস্যদের একজন। অলিম্পিক চার্টারেও এই দায়বদ্ধতার কথা লেখা আছে।

গত ফেব্রুয়ারিতেও আইওসি আরেকটি বিতর্ক খারিজ করে দিয়েছিল। সেই বিতর্ক ছিল ট্রাম্পের ডাকা বোর্ড অব পিসের প্রথম বৈঠকে ইনফান্তিনোর উপস্থিতি নিয়ে। সেই বৈঠকে তিনি লাল রঙের একটি ক্যাপ পরেছিলেন। ক্যাপের গায়ে লেখা ছিল ‘ইউএসএ’ এবং ‘৪৫-৪৭’। এই সংখ্যা দুটি ছিল ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দুই মেয়াদের প্রতীক।

ফেব্রুয়ারিতে আইওসির এক মুখপাত্র এএফপিকে বলেছিলেন, ‘আইওসি ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। আমরা জেনেছি, ফিফা ফুটবলের মাধ্যমে গাজা ও ফিলিস্তিনে একটা ব্যাপক ক্রীড়া পুনরুদ্ধার বিনিয়োগ কর্মসূচিতে সহায়তা করছে। তারা ক্রীড়া অবকাঠামো, শিক্ষা এবং উঁচু পর্যায়ের উন্নয়নের প্রস্তাব দিচ্ছে। এটা একটা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশনের ভূমিকার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। আইওসিও অলিম্পিক সলিডারিটির মাধ্যমে এই অঞ্চলে ক্রীড়া উন্নয়নে সহায়তা করে আসছে। অলিম্পিক সলিডারিটি আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমের একটা মাধ্যম।’

গত ডিসেম্বরে ফিফা তাদের প্রথম শান্তি পুরস্কার দেয় ট্রাম্পকে। সেই সময় ইনফান্তিনো বলেছিলেন, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘অসাধারণ ও ব্যতিক্রমী’ কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

উত্তর আমেরিকায় বিশ্বকাপ চলাকালীন ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মার্কিন স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানের ওপর দেওয়া লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আগে তিনি নিজে ইনফান্তিনোকে ফোন করেছিলেন।


আরো খবর